রাজবাড়ী ( Rajbari )
রাজবাড়ী ( Rajbari ) জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। “ক্ষীর চমচম” এর জন্য পরিচিত এই জেলাটি রেলের ঐতিহ্য বহন করায় একে “রেলের শহর” বলা হয়ে থাকে।
নামকরণ :
এই অঞ্চলের প্রতিপত্তিশালী নাওয়ারা প্রধান এবং পরবর্তীকালের জমিদারদের রাজকীয় প্রাসাদ বা রাজার বাড়ি থেকে কালক্রমে জেলার নামকরণ হয়েছে রাজবাড়ি। তবে কোন রাজার নামানুসারে এই নাম তা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে একাধিক মতবাদ আছে।
ভৌগলিক অবস্থান ও প্রশাসনিক কাঠামো :
রাজবাড়ি জেলা ২২°৪০´ থেকে ২৩°৫০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°১৯´ থেকে ৯০°৪০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। এই জেলার মোট আয়তন ১০৯২.২৮ বর্গ কি.মি.। জেলাটির উত্তরে পাবনা জেলা, দক্ষিণে ফরিদপুর ও মাগুরা জেলা, পূর্বে মানিকগঞ্জ জেলা এবং পশ্চিমে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলা অবস্থিত।
রাজবাড়ি জেলা মোট ০৫ টি উপজেলা (রাজবাড়ি সদর, পাংশা, বালিয়াকান্দি, গোয়ালন্দ ও কালুখালী), ০৩ টি পৌরসভা, ৪২ টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৯৮৬ টি গ্রাম, ৭৯৬ টি মৌজা এবং ০২টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।
দর্শনীয় স্থান ও ঐতিহাসিক স্থাপনা :
- জোড় বাংলা মন্দির,
- মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র,
- কল্যাণ দিঘী,
- কূঠি পাঁচুরিয়া জমিদার বাড়ি,
- রাজবাড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের লাল ভবন,
- রথখোলা সানমঞ্চ,
- শাহ পাহলোয়ানের মাজার,
- জামাই পাগলের মাজার,
- সমাধি নগর মঠ,
- গোয়ালন্দ ঘাট ও দৌলতদিয়া চরাঞ্চল,
- বাহাদুরপুর হেনা পার্ক।
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব :
- মীর মশাররফ হোসেন,
- ড. কাজী মোতাহার হোসেন,
- কাজী আবদুল ওদুদ,
- এয়াকুব আলী চৌধুরি ও মোহাম্মদ রওশন আলী চৌধুরী,
- জগদীশ গুপ্ত,
- রাজিয়া খান,
- সন্তোষ কুমার ঘোষ,
- বিজন ভট্টাচার্য,
- মনসুর উল করিম,
- কাজী আবুল হোসেন,
- রোজিনা।
প্রধান নদ-নদী : পদ্মা, যমুনা, গড়াই, হড়াই, চন্দনা, চিত্রা, কুমার, চত্রা নদী।